Aimz Homoeo Hall - ST.George India হোমিওপ্যাথি ঔষধ
Aimz Homoeo Hall Header

Aimz Homoeo Hall

ST.George India এর একমাত্র বিতরণকারী

Dr. Anisur Rahman Rasel
বিশেষজ্ঞ

ডাঃ আনিসুর রহমান রাসেল

BHMS (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) MPH

প্রভাষক - তানজিম হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল,নারায়ণগঞ্জ

অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ

বিশ্বমানের হোমিওপ্যাথি ঔষধ

আপনার স্বাস্থ্যের জন্য প্রাকৃতিক সমাধান

আমাদের পণ্য সমূহ

💊

���াইলিউশন পোটেন্সি

সকল প্রকার আমদানিকৃত ডাইলিউশন পোটেন্সি

🧪

মাদার টিংচার

খাঁটি এবং কার্যকর মাদার টিংচার

⚗️

বায়োকেমিক

জার্মান বায়োকেমিক ঔষধ

🌿

আমদানিকৃত ঔষধ

সকল প্রকার আমদানিকৃত হোমিওপ্যাথি ঔষধ

কেন আমরা সেরা?

১০০% খাঁটি

সরাসরি আমদানিকৃত মান নিয়ন্ত্রিত পণ্য

🚚

দ্রুত ডেলিভারি

সারা বাংলাদেশে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া

💯

বিশ্বস্ত

হাজারো সন্তুষ্ট গ্রাহক

💰

সাশ্রয়ী মূল্য

প্রতিযোগিতামূলক দামে সেরা ���ান

এখনই অর্ডার করুন

পণ্য তালিকা

যোগাযোগ: হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন

হোমিওপ্যাথির জনক - ডঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান
হোমিওপ্যাথির জনক

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান

যিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছেন হোমিওপ্যাথি - একটি সম্পূর্ণ নতুন চিকিৎসা দর্শন। তাঁর আবিষ্কৃত "সদৃশ বিধান" চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান

ডাঃ হ্যানিম্যানের জীবনী

জার্মানির মেইসেন শহরে ১৭৫৫ সালের ১০ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।

হ্যানিম্যানের প্রাথমিক জীবন

হ্যানিম্যান ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক যিনি প্রথাগত চিকিৎসা পদ্ধতিতে অসন্তুষ্ট হয়ে একটি নতুন চিকিৎসা দর্শনের সন্ধান করেন। তিনি লাইপজিগ, ভিয়েনা এবং এরল্যাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান অধ্যয়ন করেন এবং ১৭৭৯ সালে ডাক্তারি ডিগ্রী লাভ করেন।

প্রথাগত চিকিৎসা পদ্ধতির কঠোর ও ক্ষতিকর চিকিৎসা (রক্তমোক্ষণ, বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার) দেখে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসা পেশা ছেড়ে দিয়ে অনুবাদকের কাজ শুরু করেন।

হ্যানিম্যানের সময়ের চিকিৎসা

হ্যানিম্যানের জীবনকাল

১৭৫৫ - জন্ম

জার্মানির মেইসেন শহরে জন্মগ্রহণ করেন

১৭৭৯ - ডাক্তারি ডিগ্রী

এরল্যাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি ডিগ্রী লাভ

১৭৯০ - কুইনাইন পরীক্ষা

কুইনাইন নিয়ে স্বপরীক্ষা করেন এবং "লাইক কিওরস লাইক" নীতি আবিষ্কার করেন

১৭৯৬ - হোমিওপ্যাথির জন্ম

"হাফেইম্যানস মেডিকেল অবজার্ভার" জার্নালে প্রথম হোমিওপ্যাথি নীতি প্রকাশ

১৮১০ - অর্গানন প্রকাশ

হোমিওপ্যাথির মূল গ্রন্থ "অর্গানন অব দ্য হিলিং আর্ট" প্রকাশিত হয়

১৮৪৩ - মৃত্যু

ফ্রান্সের প্যারিসে ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন

হ্যানিম্যান কেন হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করলেন?

প্রথাগত চিকিৎসা পদ্ধতির ত্রুটি দেখে হতাশ হয়ে নতুন পথের সন্ধান

প্রথাগত চিকিৎসার কষ্টদায়ক পদ্ধতি

১৮শ শতাব্দীর চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও বিপজ্জনক। রক্তমোক্ষণ, বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য (পারদ, আর্সেনিক) এবং অমানবিক চিকিৎসা পদ্ধতি দেখে হ্যানিম্যান মর্মাহত হন।

কুইনাইন পরীক্ষা (১৭৯০)

স্কটিশ চিকিৎসক কুলেনের বই অনুবাদ করার সময় হ্যানিম্যান কুইনাইন (ম্যালেরিয়া ওষুধ) নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। তিনি নিজেই কুইনাইন গ্রহণ করেন এবং লক্ষ্য করেন যে এটি সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে ম্যালেরিয়ার মতো লক্ষণ তৈরি করে।

"লাইক কিওরস লাইক" নীতির আবিষ্কার

কুইনাইন পরীক্ষার মাধ্যমে হ্যানিম্যান আবিষ্কার করেন যে "যে পদার্থ সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে রোগের লক্ষণ তৈরি করে, সেই একই পদার্থ সেই রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী।" এই নীতিই হোমিওপ্যাথির ভিত্তি।

মানবিক ও নিরাপদ চিকিৎসার আকাঙ্ক্ষা

হ্যানিম্যান বিশ্বাস করতেন যে চিকিৎসা হওয়া উচিত মমতাময়ী, নিরাপদ এবং রোগীর সমগ্রতার উপর ভিত্তি করে। তিনি বলতেন, "চিকিৎসকের সর্বোচ্চ ও একমাত্র মিশন হল রোগীকে সুস্থ করা।"

"চিকিৎসার সর্বোচ্চ আদর্শ হল রোগীকে দ্রুত, মৃদু ও স্থায়ীভাবে সুস্থ করা, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথে এবং তার নীতিগত কারণ অনুসারে।"

- ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান, অর্গানন অব মেডিসিন

হ্যানিম্যানের হোমিওপ্যাথি নীতি

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মূল তিনটি নীতি যা হ্যানিম্যান প্রতিষ্ঠা করেন

সদৃশ বিধান
(Like Cures Like)

"লাইক কিওরস লাইক" - যে পদার্থ সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে রোগের লক্ষণ তৈরি করে, সেই একই পদার্থ সেই রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী। এটি হোমিওপ্যাথির মূল ভিত্তি।

সূক্ষ্ম মাত্রা
(Minimum Dose)

ঔষধের সর্বনিম্ন মাত্রা ব্যবহার করা হয় যাতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হয়। হ্যানিম্যান দেখিয়েছেন যে ঔষধ যত বেশি তরলীকৃত হয়, তার কার্যকারিতা তত বেশি হয়।

একক ঔষধ
(Single Remedy)

এক সময়ে শুধুমাত্র একটি ঔষধ দেওয়া হয়। রোগীর সকল লক্ষণ মূল্যায়ন করে একটি মাত্র ঔষধ নির্বাচন করা হয় যা রোগীর সামগ্রিক অবস্থার সাথে মিলে যায়।

হ্যানিম্যানের উত্তরাধিকার

হোমিওপ্যাথি আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি

হ্যানিম্যান শুধু একটি চিকিৎসা পদ্ধতিই আবিষ্কার করেননি, তিনি একটি সম্পূর্ণ নতুন চিকিৎসা দর্শন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর মৃত্যুর ১৮০ বছর পরেও হোমিওপ্যাথি বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে চর্চিত হচ্ছে এবং কোটি কোটি মানুষ এই প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতির সুফল ভোগ করছে।

হ্যানিম্যানের লেখা "অর্গানন অব মেডিসিন" আজও হোমিওপ্যাথি চর্চার মূল গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর দর্শন শুধু চিকিৎসা ক্ষেত্রেই নয়, বরং সামগ্রিক জীবনদৃষ্টিতেও প্রভাব ফেলেছে।

হ্যানিম্যানের মূল গ্রন্থ: "অর্গানন অব দ্য হিলিং আর্ট" (১৮১০)
হোমিওপ্যাথির বই
২০০+

বছর আগে আবিষ্কৃত

১০০+

দেশে চর্চিত

৫০ কোটি+

মানুষের চিকিৎসা

৩,০০০+

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান

হোমিওপ্যাথির জনক, যিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে নিয়ে এলেন এক নতুন দর্শন

"হোমিওপ্যাথির সৌন্দর্য হলো এর সরলতা"

- ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান

© ২০২৪ হোমিওপ্যাথি ইতিহাস। সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।

Recent Posts

Developed by OnesBD | Contact